Friday, May 31, 2019

Breaking News|| Bangladeshi Scientist breakthrough a new Antivirul drug

Howard University researchers within the Department of Biology have published a breakthrough manuscript today on developing broad anti-viral drugs that will inhibit pathogenic viruses from replication. This is a stark difference from current anti-viral drugs that become less effective as viruses become more resistant. The report, published by peer-reviewed bio-medical journal Oncotarget and featured on the journal cover page, takes a detailed look at the Howard University team’s innovative approach to isolating anti-viral compounds and the possibility of future drugs that will offer effective and durable treatment for many pathogenic viruses.
As a proof of concept, the paper detailed the effectiveness of the drugs against Herpes Simplex Virus-1, a common virus that causes painful sores on genitals and/or mouth.
“The work of Dr. Ullah and his research team is a critical breakthrough in the development of anti-viral drugs,” says Provost and Chief Academic Officer Anthony K. Wutoh. “We anticipate that this work will ultimately impact the development of medications to treat various illnesses, including more effective treatments against Herpes Simplex Virus-1.”

Associate Professor of Biology Hemayet Ullah, Ph.D. leads the team of student and faculty researchers and identified a host protein called RACK1, which is often used by pathogenic viruses for their own replication. The small molecules developed by the team effectively render the host RACK1 protein unavailable to the viruses; thereby inhibiting the virus replication within the host cells. Ullah says the results are encouraging and indicate that further research will establish the potential compounds as durable anti-viral drugs. As these drugs do not directly target the virus, Ullah predicts that the viruses would have almost no opportunity to develop resistance, effectively making this a durable drug discovery approach.
“Though the results are preliminary but they show high efficacy in the lab experimentation. The novelty of this approach ensures that the drugs will not be only specific to a single virus but will be effective against diverse pathogenic viruses that use the same host factor. A number of human pathogenic viruses are already known to use the same host factor. What we now need are tests in animal model and in pre-clinical trials. Hopefully with funding available, we will be able achieve these goals in 2 to 3 years,” explained Ullah.
He says most of the wet lab research works were completed at the University, citing the modern lab space inside the Interdisciplinary Research Center as a facilitator for multi-lab collaboration. In addition to graduate students, who serve as researchers for the project, Ullah credits Qiyi Tang, Ph.D., and Sergei Nekhai, Ph.D., both of the College of Medicine and Dr. Dakshanamurthy’s lab at Georgetown University, with sharing his vision for experimentation and appreciating interdisciplinary collaboration.
Source: Internet

মন্ত্রির সম্পদ একটি ভাঙ্গা কুড়ে ঘর আর ২৫ বছরের পুরনো সাইকেল!!

একজন মন্ত্রির নূন্যতম সম্পদ কত হতে পারে? নিদেনপক্ষে লণ্ডন-নূইয়র্ক দু’ একখানা বাড়ি। সযতনে রাখা ব্যাংক ব্যালান্স। ঝাঁ চকচকে কোটি টাকার গাড়ি। এটাই তো স্বাভাবিক। তাই বলে মন্ত্রি থাকবেন ভাঙা এক কুড়েঘরে, চালাবেন ২৫ বছরের পুরনো এক বাইসাইকেল! অবিশ্বাস্য! না বিশ্বাস করেই বা উপায় কি! গেল সপ্তাহেই তো ভারতের মন্ত্রি হিসেবে শপথ নিলেন প্রতাপ চন্দ্র সারেঙ্গী।
গেল সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ বাক্য পাঠ করেছেন নরেন্দ্র মোদী। তার পর থেকে নাগাড়ে শপথ পাঠ দেখতে দেখতে দর্শকাসনে ঠায় বসে অনেকেই ক্লান্ত। কিন্তু সাড়ে আটাট ফের যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল রাইসিনার উঠোনে।
রাষ্ট্রপতির সচিব যেই ঘোষণা করলেন, “রাজ্য মন্ত্রী হিসাবে এ বার শপথ নেবেন শ্রী প্রতাপ চন্দ্র সারেঙ্গি..”। ওমনি হাততালির ঢেউ উঠল! কে ইনি? একেবারেই সাধারণ গোছের আধাছেড়া সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি পরা। মাথার চুল উস্কো খুস্কো, হাওয়ায় উড়ছে! 
হ্যাঁ, তাঁকে নিয়ে উন্মাদনা এমনই। সোশাল মিডিয়ায় তাঁর লক্ষ লক্ষ ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে। অথচ শহুরে জীবনের চাকচিক্য, বিলাস, সুবিধা থেকে তিনি অনেক দূরে। বালাসোরের এক ঝুপড়ি বাড়িই তাঁর স্থায়ী ঠিকানা।
 
এবার লোকসভা ভোটে ওড়িশার বালাসোর আসন থেকে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী প্রতাপ চন্দ্র সারঙ্গি। তাঁর রাজ্যের মানুষ বলেন, ‘ওড়িশার মোদী’। বালাসোরে বিজু জনতা দলের প্রার্থী রবীন্দ্র কুমার জেনাকে তিনি হারিয়েছেন ১২ হাজার ৯৫৬ ভোটে।

Thursday, May 30, 2019

সম্প্রীতির অনন্য নজির: অযোধ্যায় মন্দিরে ইফতারের আয়োজন করলো হিন্দু সন্ন্যাসীরা

রাম মন্দির নাকি বাবরি মসজিদ! এই বিতর্কে দগ্ধ অযোধ্যা। এবার তাতেই প্রলেপ দিতে উদ্যোগী হলেন অযোধ্যাবাসী। অযোধ্যার এক মন্দিরে আয়োজন করা হল ইফতারের। সোমবার বিতর্কিত রাম জন্মভূমির কাছে অযোধ্যার ৫০০ বছরের পুরাতন সূর্য কুঞ্জ মন্দিরে মুসলিম সম্প্রদায়ের যারা রোজা রাখেন তাদের জন্য ইফতারের আয়োজন করেন হিন্দু সন্ন্যাসীরা।
এ অনুষ্ঠানের ইউএসপি-ই হল কোন রাজনৈতিক দলের নেতাকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে ভোট পর্ব মিটতেই ওই ইফতারের আয়োজন করা হয়। ৫০০ বছরের পুরনো সূর্য কুঞ্জ মন্দির থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে বিতর্কিত রাম জন্মভূমি এলাকা। কোনরকম রাজনীতির রং বাদ দিয়েই ইফতারের আয়োজন করেছেন সন্ন্যাসীরা।
এ অনুষ্ঠানের গায়ে যাতে রাজনীতির রং না লাগে তার জন্য সপ্তম দফাযর ভোট শেষ হওয়ার পর ওই ইফতার মজলিস এর আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোগতারা। অযোধ্যায় সব ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতেই এই অরাজনৈতিক আয়োজন বলে জানিয়েছেন, মোহান্ত যুগল কিশোর শরণ শাস্ত্রী। 
সূত্র: টিডিএন বাংলা।
 

খুব কাছের দ্বীপ সেন্টেনিয়েল আইল্যাণ্ড!! এখেনো যেখানে বাস অন্ধকার জগতের রহস্যময় মানুষের!!


ভ্রমনের জন্য আপনার অঢেল টাকা আছে, প্রযুক্তি আছে, বাহন আছে- কিন্তু চাইলেই কি আপনি পৃথিবীর সব জায়গায় যেতে পারবেন? উত্তর- না।  
আর একবার সভ্যতার বাইরে- বিদ্যুত, মোবাইল ফোন, সুপেয় পানি, মজার মজার খাবার, অত্যাধুনিক চিকিৎসা, শিক্ষা সহ আমাদের যাপিত জীবনের সমস্ত উপকরণ ছাড়া নিজেকে ভাবুন তো! তাও এই একুশ শতকে!! পারবেন একদিন কাটাতে? অথচ আমাদের খুব কাছেই রয়েছেন এমন মানুষেরা। যাদের কোন শিক্ষা নেই, প্রযুক্তি নেই, সভ্যতার কোন ছোঁয়া নেই- এমনকি পোশাকও নেই। এমনকি সেখানে কত মানুষ বাস করেন, তারও কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই!!
ভালো কথা, প্রশ্ন উঠতে পারে আমাদের মানুষরা কেন তাদের কাছে সভ্যতার আলো পৌঁছে দিচ্ছে না! কারন এ পর্যন্ত বহুবার চেষ্টা করেও বিচ্ছিন্ন এই জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে মানুষ। এমনকি কেউ কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করলে তাদের জীবিত ফিরে আসার নজিরও নেই বললেই চলে। খালি হাতে তো দূরের কথা ভারতীয় বিমান সেনারা হেলিকপ্টারে গিয়েও মুহুর্মুহ তীরের আঘাতে নাস্তানাবুদ হয়ে ফিরে এসেছে। সেই থেকে ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েই ও পথ আর কাউকে মাড়াতে দেয় না। 
বিশ্বের তাক লাগানো ও ভাবনায় ফেলে দেয়ার মতো নিষিদ্ধ দ্বীপটি রয়েছে আমাদের খুব কাছেই। একসময়ের কালাপানি নামে কুখ্যাত আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের একটিই এই সেন্টেনিয়েল আইল্যাণ্ড। যেখানে গহীন জঙ্গলে এখনো সভ্যতার কোন ছোঁয়া ছাড়াই টিকে রয়েছেন অগনিত মানুষ। 
২০০৬ সালে আন্দামান দ্বীপের দুইজন জেলে এ দ্বীপের কাছাকাছি মাছ ধরতে যায়।  রাতের বেলা অত্যধিক মদ পানে ঘুমিয়ে পড়লে সমুদ্র স্রোতে ভেসে তারা দ্বীপে চলে যায়। দ্বীপ বাসীরা জেলেদের নিসংসভাবে হত্যা করে। ভারতীয় কোস্ট গার্ড জেলেদের লাশ উদ্ধার করতে হেলিকপ্টার পাঠায় দ্বীপ বাসীরা তাদের হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে তীর ছুড়তে থাকে।  যদিও উদ্ধার অভিযানে আসা হেলিকপ্টার থেকে তাঁদের মরদেহ দেখা গিয়েছিলো। উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারের পাখার ঘূর্ণনে সৃষ্ট প্রবল বাতাদের তোড়ে সেন্টিনেলদের অল্পগভীর কবরের মাটি সরে গিয়ে ঐ দুজন জেলের মৃতদেহ দেখা যায়। কোস্ট গার্ড তীরের মুখে লাশ উদ্ধার না করেই ফিরে আসে।
এর পর ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নেয় সেন্টিনল বাসীদের জীবন যাত্রা বাইরের প্রভাবমুক্ত রাখার। ভারত সরকার তাদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা রক্ষার্থে দ্বীপের তিন কিলোমিটারের মধ্যে যাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

সেন্টিনেলী জনগোষ্ঠী হচ্ছে আন্দামানি জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত একটি জাতিগোষ্ঠী। বঙ্গোপসাগরের আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত এই জাতি দক্ষিণ এশীয় জনগোষ্ঠীগুলোর একটি। গ্রেট আন্দামান উত্তর সেন্টিনেলী দ্বীপপুঞ্জে এই জনগোষ্ঠীর বাস। বহিরাগতদের ওপর আক্রমণাত্মক মনোভাবের জন্য তারা বিশেষভাবে পরিচিত। সেন্টিনেলী জাতি মূলত একটি শিকারী-নির্ভর জাতি। তারা তাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ শিকার, মাছ ধরা, এবং বন্য লতাপাতার মাধ্যমে সংগ্রহ করে। এখন পর্যন্ত তাদের মাঝে কৃষিকাজ করা বা আগুন ব্যবহারে প্রমাণ পাওয়া যায় না
 এখন পর্যন্ত সঠিকভাবে সেন্টিনেলীদের জনসংখ্যার কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। ধারণা অনুযায়ী এদের জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৩৯ থেকে ২৫০-এর মধ্যে, এবং সর্বোচ্চ ৫০০ পর্যন্ত। ২০০১ সালে পরিচালি ভারতের জনপরিসংখ্যানে ৩৯ জন পৃথক ব্যক্তির উপস্থিতি রেকর্ড করা হয় যাদের মাঝে ২১ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী। নিরপত্তাজনিত কারণে এই জরিপটি প্রয়োজনের চেয়েও বেশি দূর থেকে পরিচালনা করা হয়েছিলো এবং এটি সুনিশ্চিতভাবেই ৭২ বর্গকিলোমিটার (১৮,০০০ একর) আয়তনে দ্বীপটির সঠিক জনসংখ্যা নির্দেশ করে না। ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সংঘটিত ভূকম্পন ও সংশ্লিষ্ট সুনামির ফলে সেন্টিনেলীদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির ওপর সৃষ্ট কোনো মধ্যম বা দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবের কথা জানা যায় না। শুধু এটুকু নিশ্চিত হওয়া যায় যে, তারা এই দুর্যোগের প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে সমর্থ হয়েছে।

 ১৯৭৫ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির একজন পরিচালক একটা তথ্যচিত্র বানাবার উদ্দেশ্যে গিয়ে পৌঁছিয়েছিলেন সেই দ্বীপে। কিন্তু হিংস্র উপজাতিরা তার পায়ে বিষাক্ত তীর মারে ফলে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। তখন থেকেই সেখানে কারও প্রবেশাধিকার নেই। তারপর আর কেউই সেখানে যেতে খুব একটা ঝুঁকি নেয় না।
কাগজে কলমে সেন্টিনেল ভারতের অধিকারে থাকলেও বাস্তবে তারা সম্পূর্ণ স্বাধীন। এখন পর্যন্ত ভারত সরকারও সেন্টিনেল দ্বীপ সম্পর্কে তেমন তথ্য সংগ্রহ করতে পারে নি। উল্লেখ্য কুট জাতি হিসেবে পরিচিত ব্রিটিশদের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৮৮০ সালে দ্বীপটি দখলের পায়তারা করে । এ উদ্দেশ্য তারা দ্বীপ থেকে কয়েকজন অধিবাসী ধরে নিয়ে আসে।  অপহরনের উদ্দেশ্য ছিল তাদের ভাল খাবার দাবার পরিবেশ দিয়ে তাদের মন জয় করে দ্বীপের দখল নেওয়া। কিন্ত ব্রিটিশদের এই চেষ্টা গোড়াতেই শেষ হয়ে যায় । কারন দ্বীপবাসীদের ধরে আসার পর পরই দ্বীপবাসীরা মারা । এর কারন হিসেবে ধারনা করা হয় তাদের দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সভ্য জগত থেকে অনেক কাল দূরে থাকায় ধারনা করা হয় সর্দি-কাশির মত সাধারন রোগে এরা মারা যেতে পারে !
১৯৬৭ সাল থেকে পোর্ট ব্লেয়ারে অবস্থিত ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সেন্টিনেলদের সাথে যোগাযোগ করার জন্যে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়ে আসছে। এসব অভিযানে তাঁদেরকে উপহার হিসেবে সমুদ্র সৈকতে খাবার ছড়িয়ে (যেমন: নারকেল) বন্ধুত্ব স্থাপনের চেষ্টা করা হয়। এসব প্রচেষ্টার মাধ্যমে সেন্টিনেলদের মধ্যে তৈরি বহিরাগতদের সম্পর্কে সৃষ্ট হিংস্র মনোভাব দূর করার চেষ্টা করা হয়। কিন্ত বাস্তবে এসব কোন কাজে আসে নি।
এর পরে ১৯৯১ সালে ভারত সরকার পুনরায় তাদের সাথে সন্ধি করার চেষ্টা করে। কিন্তু ১৯৯৬ সালে তারা জানিয়ে দেয় যে, তারা বাইরের পৃথিবীর কারও সাথে যোগাযোগ রাখতে চায় না। তারপর থেকে সেন্টিনালিসরা তাদের নির্বিঘ্ন জীবনে ফিরে যায়। পরে ২০০৪ সালের সুনামীতে দ্বীপের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়। ভারত সরকার পুনরায় দ্বীপ বাসীরা বেঁচে আছে কিনা জানা জন্যে হেলিকপ্টার পাঠায় দ্বীপ বাসীরা হেলিকপ্টারের দিকে তীর ছোড়ে স্বাগত জানিয়ে জানান দেয় যে তারা বেঁচে আছে।
তো ভেবে দেখুন আমাদের জানার বাইরে এই পৃথিবীতেই কত কিছু লুকিয়ে আছে! যেগুলো জানা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আমরা মঙ্গলগ্রহে পৌঁছাতে পারি, গ্যালাক্সি জয়ের স্বপ্নও দেখতে পারি- কিন্তুেআমাদেরই খুব কাছে লুকিয়ে থাকা অপূর্ সৃষ্টিগুলোর রহস্যভেদ করা হয়দেত আমাদের পক্ষে কখনোই সম্ভব হয়ে উঠবে না।


Wednesday, May 29, 2019

অফিসে নিজের সন্তানদের ছবি ঝুলান, আমার নয়: উদ্বোধনী ভাষণে ইউক্রেনের নয়া প্রেসিডেন্ট

প্রত্যেককে নিজের অফিসে সন্তানদের ছবি ঝোলানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। গত ২৭ মে দেয়া উদ্বোধনী ভাষণে এ আহ্বান জানান তিনি।   


জেলেনস্কি বলেন, আমরা দেশকে সব সম্ভাবনা দিয়ে গড়বো যেখানে আইনের চোখে সবাই হবে সমান এবং শাসনকাজ চলবে সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে। আর তা বাস্তবায়ন করতে আমাদের প্রয়োজন জনগণের শাসন, যারা জনগণের জন্য কাজ করবে।

এর আগে নির্বাচনে বিজয়ের পর জনগণের উদ্দেশে বলেছিলেন, আমি কখনো আপনাদের বিশ্বাসের অমর্যাদা করব না।

উল্লেখ্য, নির্বাচনে দাঁড়াবার আগে জেলেনস্কির কোনো রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছিল না এবং তিনি একবার টেলিভিশনে মজা করে প্রেসিডেন্টের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
প্রেসিডেন্টের উদ্বোধনী ভাষণ শুনতে এখানে ক্লিক করুন

This photo taken from khulna in 2011 by sony compact camera

Monday, May 27, 2019

দেখিনা কিছু, দেখা হয়না

বহেমিয়ান জীবনে কত ইচ্ছেরা ঘুরে বেড়ায়।
এই মনে হয় ডুয়ার্সের চা বাগানের মালি হয়ে যাই। ভেজা চা বাগানের চুয়ে পড়া জলে মিশে থাক ঘাম। মেঘের কুণ্ডলি ছুয়ে বলি, হারিয়ে যা দুরের পাহাড়ে, আমিও হব তোর সঙ্গী.
এই ভাবি খালাসী হয়ে যাই জাহাজের। স্টীমার এর ভেঁপু, আজ ভেনিস কাল রেঙ্গুন, পরশু ইস্তানবুল ঘুরে, শত মানুষ, শত মন, শত সহস্র অনুরাগ, দুঃখবোধ বুকে বয়ে ভেসে চলি গন্তব্যহীন পথে।
অথবা ট্রেনে চেপে কলকাতা, সিঙ্গুর ঘুরে অজানা স্টেশনের মধ্যরাত, কুণ্ডলি পাকানো ঘুম।
কিছুই হয়না! কংক্রিট কারাগারের প্রকোষ্ঠে নিয়মের শেকল জড়িয়ে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত শ্রান্ত রাত আসে, ভোর ঽয় , চাদ ওঠে জোৎস্নার জোয়ারে প্লাবিত জনপদে প্রেম আসে। প্রখর রোদ, বৃষ্টি - গোধূলি এসে চলে যায়। 

 দেখিনা কিছু, দেখা হয়না।

দিনাজপুরে লোহার খনি পেলেন বিশেষজ্ঞরা: মান অন্য যে কোন দেশের চেয়ে ভাল

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ইসবপর গ্রামে উন্নত মানের লোহার আকরিকের (ম্যাগনেটাইট) খনির সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর ...